হাফিজুর রহমান
মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের মধুপুরে নিখোঁজের একদিন পর ফাতেমা (৫) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ফাতেমা মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের ভবানীটেকীর নেংড়াবাজার এলাকার বাসিন্দা এবং তার পিতা মো. আবু সামা। নিহত ফাতেমা স্থানীয় মাদরাসার প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
পরিবার সূত্রে জানা যায়,
শনিবার (১১ এপ্রিল) আছর নামাজের পর থেকে ফাতেমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান মেলেনি তার পরিবারের লোক জন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তার নিখোঁজের বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।
পরে রবিবার ১২ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টা বাগানে স্থানীয়রা ঘাস কাটতে গিয়ে তার মরদেহের সন্ধান পায়। পুলিশে খবর দিলে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করে,মধুপুর থানায় নিয়ে আসে।
নিহতের মামা জনি খান জানান, ফাতেমার কানে স্বর্ণের গহনা ও গলায় একটি রূপার মালা ছিল, যা লাশ উদ্ধারের সময় পাওয়া যায়নি। তার সন্দেহ, নিহত ফাতেমার পরিচিত কেহ এর সাথে জড়িত থাকতে পারে। যা স্বর্ণালংকার নেওয়ায় তাকে চিনে ফেলবে
সে কারনেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করতে পারে বলে জানান । এ নৃশংস হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলের শাস্তি দাবি করেন ।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার আছর নামাজের পর থেকে ফাতেমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তার নিখোঁজের বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।
নিহতের মামা জনি খান জানান, ফাতেমার কানে স্বর্ণের গহনা ও গলায় একটি রূপার মালা ছিল, যা লাশ উদ্ধারের সময় পাওয়া যায়নি। তার সন্দেহ, নিহত ফাতেমার চাচাত ভাই
আব্বাস আলী (২৭) জুস কিনার কথা বলে ফাতেমাকে বাড়ী থেকে নিয়ে যায়। তার পর থেকে খুজে পাওয়া যায় নাই। শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে গহনা ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করে ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রেখে গেছে বলে অভিযোগ করেন।
এলাকাবাসী জানান, নিহত ফাতেমার হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অভিযোগে অভিযুক্ত আব্বাস আলী, গতকাল থেকে আত্মগোপনে রয়েছে বলে জানান।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম ফজলুল হক জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে। ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যার আগে অন্য কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে।
এলাকাবাসী জানান,এই ঘটনার সাথে যারা সম্পৃক্ত রয়েছে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন