🔴 ব্রেকিং

শিরোনাম

মধ্যম মাদার্শা শান্তিনিকেতন বৌদ্ধ বিহারে মহাথের বরণ উৎসব


হাটহাজারীতে প্রতিমন্ত্রীর শুভেচ্ছা,

উপাসক-উপাসিকাদের মিলনমেলায় উৎসবমুখর পরিবেশ


বিশেষ প্রতিবেদকঃ


চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মধ্যম মাদার্শা সার্বজনীন শান্তিনিকেতন বৌদ্ধ বিহারে সদ্ধর্মগুপরত্ন সুপাল বংশ থের মহাথেরের বরণ উৎসব উপলক্ষে বৌদ্ধ উপাসক-উপাসিকাদের অংশগ্রহণে এক বিশাল মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে। ধর্মসভা বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ধর্মীয় ও সামাজিক আবহে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।


বিহার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্তদের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় এক শান্তিপূর্ণ ও ভক্তিমূলক পরিবেশ। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের বার্তা তুলে ধরা হয়।


অনুষ্ঠানটি এক মহাথেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু সমাজের মাননীয় উপসংঘনায়ক সংঘরশ্মি রত্নশ্রী মহাথের, মহাউপসংঘনায়ক শিক্ষাবিদ সুনন্দ মহাথের, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির সভাপতি কমলানন্দ মহাথের, পরমার্থ মহাথের সুমিয়ানন্দ মহাথেরসহ ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।


এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য সার্থক উদয় কুসুম বড়ুয়া, যুবদলের ধর্ম বিষয়ক উপকমিটির সহ-সম্পাদক পার্থ প্রতীম বড়ুয়া অপু, উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা-কর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গিয়াসউদ্দীন চেয়ারম্যান, সাবেক উপজেলা যুবদল নেতা সোলাইমান, ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. কামাল উদ্দিন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান বাদশা এবং বিএনপি নেতা জোনায়েদ আলম জিতুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


এছাড়াও বাংলাদেশ বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার সংঘের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক ড. সুব্রত বড়ুয়া, বিশিষ্ট সমাজসেবক অনঙ্গ কান্তি বড়ুয়া, কমল বড়ুয়া, তপন কান্তি বড়ুয়া, দীপংকর বড়ুয়া, তপু বড়ুয়া ও সঞ্জীব বড়ুয়াসহ আরও অনেকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।


বক্তারা বলেন, এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা শান্তি, সহাবস্থান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন